সবাই তখন জুম্মার নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। হঠাৎ পাশে হাফেজিয়া মাদরাসা থেকে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল আগুনের শিখা। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের তীব্রতায় বেড়ে সবকিছু পুড়ে ছাই। টিনের চাল থেকে শুরু করে ভেতরে থাকা আসবাবপত্র পুড়ে ধ্বংসস্তূপ। মাদরাসার সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও হেফজখানায় রাখা ২৫টি পবিত্র কোরআন অক্ষত। এমন অলৌকিক দৃশ্য যা উপস্থিত সবাইকে অবাক করেছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া ইউনিয়নের ধরাইল হাফেজিয়া কওমি মাদরাসায় ঘটনাটি ঘটে।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানান, জুম্মার নামাজের সময় মাদরাসাটি পুরোপুরি খালি ছিল। নামাজ চলাকালীন হঠাৎ আগুন ধরে উঠে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের উত্তাপ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। নামাজ শেষে স্থানীয় ও মুসল্লিরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু ততক্ষণে মাদ্রাসার টিনের চাল, শিক্ষার্থীদের বিছানাপত্র ও আসবাবপত্রসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুন যখন নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীরা তখন মাদ্রাসার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খুঁজেছেন নিজের জিনিসপত্র। নিজেদের বিছানা, বালিশ, তোশক, আলমারিসহ সবকিছু পুড়ে ছাই। আশ্চর্যের বিষয়, হেফজখানায় থাকা ২৫টি পবিত্র কোরআন সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। কোরআন শরিফগুলোর পাতায় আগুন স্পষ্ট করতে পারেনি। এমন অলৌকিক ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার মানুষের মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
মাদরাসার শিক্ষকরা বলছেন, সব ধ্বংস হয়ে গেলেও মহান আল্লাহর বাণী যে চিরন্তন ও সুরক্ষিত তা এই ঘটনার জীবন্ত প্রমাণ। আল্লাহ এক, তার কোনো শরিক নেই।