পুলিশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি যন্তর মন্তর এলাকায় বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হয়েছেন অনলাইন প্ল্যাটফরম ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাসহ সিজেপির বেশ কয়েক জন সমর্থক।
আজ বেলা ১০টার দিকে তাদের আটক করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ সংগঠক অভিজিৎ দীপকে।
এক্সে তাদের আটক করার একটি ভিডিও চিত্রও পোস্ট করেছেন অভিজিৎ। সে ভিডিওতে দেকা গেছে সৌরভ এবং আশুতোষ কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবকের সাথে হাতে পতাকা নিয়ে যন্তর মন্তরের ফটক টপকে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য ওই এলাকায় প্রবেশ করেছেন এবং তাদের ফটক টপকানোর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে মোতায়েন পুলিশ তাদের ধাওয়া দিলে তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় তাদের থামানোর চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশ কিছুটা ধস্তাধস্তি হয়। পরে বিক্ষোভকারীদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে গত কাল সোমবার যন্তর মন্তর এলাকায় বিক্ষোভ-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভের জন্য নতুন তিনটি স্থান নির্দিষ্ট করেছে পুলিশ। এ স্থানগুলো হলো— রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান।
`স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন` (এসআইআর) বা ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ নিবিড় প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের জেরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ করছে বিজেপিবিরোধী দলগুলো জোট জোট ‘ইনডিয়া’ এবং সিজেপি।
১০ অক্টোবর থেকেই দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তর এলাকাটি কঠোর নিরাপত্তার বলয়ে ঘিরে রেখেছে এবং বিক্ষোভকারীদের সেখানে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। সিজেপি ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল।
সংগঠনের শীর্ষ নেতা দীপকে, দাস এবং রাঙ্কা ১০ অক্টোবর সকালে দিল্লিতে নামার পরপরই বিমান থেকে তাদের আটক করা হয়। রাজধানী জুড়ে বিক্ষোভ ও পুলিশের কড়া পদক্ষেপের দৃশ্যের মাঝে শনি ও রবিবার হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।